ডিজিটাল যুগে অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিষ্টাচার বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভার্চুয়াল পরিবেশে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রাখতে এবং গঠনমূলক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
১. ইন্টারনেটে সৌজন্য প্রদর্শন
অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও নম্র ভাষায় কথা বলা।
মতভিন্নতা থাকলেও তা সম্মানের সঙ্গে প্রকাশ করা।
অশালীন বা আক্রমণাত্মক শব্দ ব্যবহারের পরিহার।
২. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নম্রতা বজায় রাখা
পোস্ট বা মন্তব্যের মাধ্যমে কাউকে অপমান না করা।
কারো ধর্ম, সংস্কৃতি, লিঙ্গ বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা।
নিজের এবং অন্যের অনুভূতির প্রতি সচেতন থাকা।
৩. গোপন তথ্য শেয়ার না করা
কারো ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ফোন নম্বর, ঠিকানা বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা।
অনুমতি ছাড়া অন্যের ছবি বা ভিডিও পোস্ট না করা।
নিজের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ব্যাংক তথ্য, সুরক্ষিত রাখা।
৪. বিদ্বেষমূলক বা অপমানজনক মন্তব্য না করা
সাইবার বুলিং বা হয়রানি করা থেকে বিরত থাকা।
মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করা।
মন্তব্য করার আগে ভেবে দেখা, এটি অন্যকে কষ্ট দিতে পারে কি না।
৫. স্প্যামিং ও অপ্রাসঙ্গিক পোস্ট থেকে বিরত থাকা
গ্রুপ বা ফোরামে অনর্থক বা অপ্রাসঙ্গিক লিঙ্ক শেয়ার না করা।
অনবরত একই পোস্ট বা বার্তা পাঠিয়ে অন্যদের বিরক্ত না করা।
৬. অনলাইনে সময় ব্যবস্থাপনা এবং আচরণ নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত সময় নষ্ট না করা এবং অন্যদের ব্যক্তিগত সময়ের প্রতি সম্মান জানানো।
অনলাইনে বিতর্ক বা ঝগড়ায় জড়ানো এড়িয়ে চলা।
অনলাইনে অপরাধমূলক কার্যকলাপ, যেমন হ্যাকিং বা চুরির প্রচেষ্টা, না করা।
৭. দায়িত্বশীল কনটেন্ট শেয়ারিং
বিশ্বস্ত ও সত্য তথ্য প্রচার করা।
অপপ্রচার বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকা।
অন্যের কাজ কপি করে নিজের বলে দাবি না করা।