Embed presentation
Download to read offline







বাংলাদেশে রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নেবার প্রবণতার কারণ সমূহ ও রোধ করার উপায় বাংলাদেশে রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার প্রবণতা বেশ পুরনো এবং ক্রমবর্ধমান। বিদেশে চিকিৎসা নেবার এই প্রবণতা বিভিন্ন কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এর ফলে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে কিছু চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, যদি সরকার ও স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতা কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নেবার কারণ সমূহ 1. উন্নত চিকিৎসা সুবিধা: অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি: বাংলাদেশের অনেক হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং সরঞ্জামের অভাব রয়েছে, যা বিদেশে রোগীদের জন্য সহজলভ্য। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অভাব: অনেক সময় রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না পাওয়ার কারণে বিদেশে যেতে বাধ্য হন। বিশেষ করে জটিল এবং দীর্ঘমেয়াদী রোগের জন্য বাংলাদেশে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। 2. উন্নত মানের স্বাস্থ্য সেবা: উচ্চমানের চিকিৎসা সেবা: বিদেশে চিকিৎসা সেবা অনেক সময় উচ্চমানের এবং সমৃদ্ধ, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল ও গবেষণাগার: উন্নত দেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল ও গবেষণাগার রয়েছে, যেখানে রোগী এবং গবেষণা সমান গুরুত্ব পায়। 3. প্রত্যক্ষ সেবা ও চিকিৎসা সুরক্ষা: চিকিৎসা নিরাপত্তা: অনেক রোগী বিদেশে গিয়ে তাদের চিকিৎসা নিরাপত্তা এবং সঠিক চিকিৎসা প্রাপ্তির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হন, বিশেষ করে যেসব রোগে উচ্চ ঝুঁকি থাকে। রোগ নির্ণয়ের উন্নত পদ্ধতি: বিদেশি হাসপাতালগুলোতে অনেক সময় উন্নত সেবা এবং নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকে। 4. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদেশি চিকিৎসা আকর্ষণ: অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা: বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী এবং পেশাদাররা বিদেশি চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির প্রতি আস্থাশীল, যা তাদের বিদেশে চিকিৎসা নিতে উদ্বুদ্ধ করে। 5. জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা: স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি: বিদেশে চিকিৎসার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ হল স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, যার ফলে তারা বিশ্বাস করে বিদেশি চিকিৎসা পদ্ধতিতে উন্নত সেবা পাবেন। 6. উন্নত চিকিৎসা পরিকাঠামো: আধুনিক হাসপাতাল অবকাঠামো: বিদেশে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলি প্রায়শই উন্নত অবকাঠামো, নির্ধারিত এবং আধুনিক শয্যা সুবিধা, এবং অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি প্রদান করে, যা বাংলাদেশের অনেক হাসপাতালে সীমিত। বিশ্বমানের হাসপাতাল সার্ভিস: উন্নত দেশগুলোর হাসপাতালে সেবা গ্রহণের সময় রোগীদের উন্নত শয্যা সুবিধা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, এবং সর্বাধুনিক স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাপনা পাওয়া যায়, যা অনেক রোগী বিদেশে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করে। 7. প্রযুক্তিগত অগ্রগতি: রোবোটিক সার্জারি এবং জেনেটিক চিকিৎসা: বিদেশি হাসপাতালগুলোতে রোবোটিক সার্জারি, জেনেটিক থেরাপি এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সহজলভ্য, যা বাংলাদেশে বর্তমানে অনুপস্থিত বা সীমিত। বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: উন্নত দেশে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আধুনিক সায়েন্টিফিক রিসার্চ দ্বারা নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি ও ব্যবহার হয়, যা বাংলাদেশে পাওয়া কঠিন। 8. বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক গবেষণা সুবিধা: গবেষণা ও নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি: উন্নত দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক চিকিৎসা গবেষণা এবং ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়, যার ফলে রোগীদের নতুন ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি পাওয়ার সুযোগ থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টার: অনেক উন্নত দেশে মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের





