ইসলাম ব্যক্তিসত্তার উন্নয়ন ও ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণতার প্রত্যাশী । ইসলাম ব্যক্তির উদ্দেশ্যে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেছে । আল্লাহর আনুগত্যের প্রতি মানুষকে আহ্বান জানিয়েছে । অধিকার ও দায়িত্ব কর্তব্যের বোঝা ব্যক্তির পিঠে চাপিয়ে দিয়েছে । আদেশ নিষেধের বিধান করা হয়েছে ব্যক্তিকে । আনুগত্য করলে ব্যক্তিকে তার পুরস্কার প্রদানের আশা দেয়া হয়েছে আবার নাফরমানি পাপ কাজে লিপ্ত হলে ব্যক্তিকেই দেওয়া হয়েছে শাস্তির হুমকি । চিন্তা ও কর্ম ব্যবস্থায় এমন একটি মূর্তি স্থান অধিকার করেছে, শুরুতে কর্মসম্পাদনকারী এবং শেষ কর্মফল ভোগ কারী হিসেবে মৌলিক গুরুত্বের অধিকারী । তার বুদ্ধিবৃত্তি ও আবেগের কাছে আবেদন জানানো হয় । তাকে হেদায়েত ও সঠিক পথ নির্দেশ দান করা হয় । তারই কল্যাণ কামনা করা হয় এবং তাকেই ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা হয় ।
ব্যক্তি যদি তার নিজের পরিমণ্ডলে অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং নিজের ব্যক্তিসত্তার অধঃপতনের গভীর গর্তে নিক্ষেপ করে তাহলে যে সমাজ ও ব্যবস্থার সাথে সে দুনিয়ার সম্পর্কিত ছিল তাদের কোন প্রকার শ্রেষ্ঠত্ব, গুণপনা ও উন্নত কর্মধারা চূড়ান্ত ফয়সালা ক্ষেত্রে তার কোনো উপকার করতে পারবে না ।